কৃষি ও জলবায়ু বিরূপ আবহাওয়া-সহিষ্ণু ফসল ও ফসলের জাত

কৃষি ও জলবায়ু: বিরূপ আবহাওয়া-সহিষ্ণু ফসল ও ফসলের জাত

কৃষি ও জলবায়ু: বিরূপ আবহাওয়া-সহিষ্ণু ফসল ও ফসলের জাত: এ অধ্যায়ে প্রথমে প্রতিকূল পরিবেশ ও বিরূপ আবহাওয়া সহিষ্ণু ফসল ও ফসলের জাতের বৈশিষ্ট্য, গুরুত্ব আলােচনা করা হয়েছে। পরবর্তীতে ফসল, মৎস্য ও পশুপাখি উৎপাদনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। অধ্যায়ের শেষ দিকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ফসল, মৎস্য ও পশুপাখির অভিযােন কৌশল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

কৃষি ও জলবায়ু: বিরূপ আবহাওয়া-সহিষ্ণু ফসল ও ফসলের জাত

কৃষি ও জলবায়ু বিরূপ আবহাওয়া-সহিষ্ণু ফসল ও ফসলের জাত

অষ্টম শ্রেণিতে আমরা প্রতিকূল পরিবেশ ও বিরূপ আবহাওয়া সম্পর্কে জেনেছি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূল বা বিরূপ আবহাওয়া বিরাজ করে। 

শীতকালে অতি শৈত্য বা কম শৈত্য পড়া, গ্রীষ্মকালে অতি উচ্চ তাপমাত্রা, খরা, লবণাক্ততা, বন্যা বা জলাবদ্ধতা হলাে বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনে প্রতিকূল পরিবেশ ও বিরূপ আবহাওয়া। পূর্বপ্রস্তুতি ও যথাযথ ব্যবস্থাপনা না থাকলে এ ধরনের প্রতিকূল পরিবেশ বা বিরূপ আবহাওয়ায় ফসলের ফলন ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। 

বিরূপ আবহাওয়া বা প্রতিকূল পরিবেশে ফসল উৎপাদনের পূর্ব শর্ত হলাে উপযােগী ফসল বা ফসলের জাত নির্বাচন। বিভিন্ন ধরনের বিরূপ আবহাওয়া বা প্রতিকূল পরিবেশ-সহিষ্ণু ফসল বা ফসলের জাত রয়েছে। 

বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা ইতােমধ্যে বেশ কিছু ফসলের প্রতিকূল পরিবেশ-সহিষ্ণু নতুন জাত বের করেছেন এবং আরও জাত বের করার জন্য গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন । আমরা এখন বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূল আবহাওয়া-সহিষ্ণু ফসল বা ফসলের জাত নিয়ে আলােচনা করব । 

শৈত্য সহিষ্ণু ফসল 

বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল। শীতকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি মাসে হয়ে থাকে। শীতকালে সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে। 

আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন-গােলআলু ও গমের ফলন ভালাে হয়। তবে রােপা আমন ও বােরাে ধানের পরাগায়ণ ও দানা গঠনের সময় শৈত্য বেশি পড়লে অর্থাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে চিটা হয়ে ফলন কমে যায়। 

এ সময় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলে এবং কয়েকদিন এ অবস্থা স্থায়ী হলে ফলন ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। এ জন্য সঠিক সময়ে বীজ বপন ও চারা রােপণ করতে হবে। 

ব্রি ধান ৩৬ ও ব্রি ধান ৫৫ এ দুটি শৈত্য সহিষ্ণু ধানের জাত। এর মধ্যে ১টি জাতের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলাে : 

ব্রি ধান ৫৫: 

এ জাতটি ২০১১ সালে অনুমােদন লাভ করে । আগাম ও উচ্চফলনশীল এ জাতের গাছের উচ্চতা ১০০ সেমি। বােরাে মৌসুমে হেক্টর প্রতি গড় ফলন ৭ টন এবং আউশ মৌসুমে ৪.৫ টন। বােরাে মৌসুমে জাতটি মাঝারি শৈত্য সহ্য করতে পারে বলে দেশের শৈত্যপ্রবণ এলাকায় চাষ করা যায় । তাছাড়া জাতটি মাঝারি লবণাক্ততা এবং খরাও সহ্য করতে পারে। জাতটির জীবনকাল বােরাে মৌসুমে ১৪৫ দিন এবং আউশ মৌসুমে ১০০ দিন। 

খরা সহিষ্ণু ফসল 

আমরা জানি শুষ্ক মৌসুমে একটানা ২০ দিন বা তার অধিক দিন কোনাে বৃষ্টিপাত না হলে তাকে খরা বলে । অনাবৃষ্টি বা বৃষ্টিপাতের স্বল্পতার কারণে জমিতে পানির ঘাটতি দেখা যায়। ফলে উদ্ভিদ দেহে প্রয়ােজনীয় পানির ঘাটতি দেখা দেয়।   

এ অবস্থাকে খরা কবলিত বলা হয়। প্রতিবছর দেশে রবি, খরিপ-১ ও খরিপ-২ মৌসুমে ৩০-৪০ লাখ হেক্টর জমি বিভিন্ন মাত্রায় খরার সম্মুখীন হয়। এতে করে খরার তীব্রতা অনুযায়ী ৯ ১৫-৯০ ভাগ ফলন ঘাটতি হয়ে থাকে।খরা প্রবণ এলাকায় ফসল চাষের কলাকৌশল সম্পর্কে আমরা অষ্টম

শ্রেণিতে বিস্তারিত জেনেছি। সেসব কৌশলের মধ্যে অন্যতম কৌশল হলাে খরা প্রবণ এলাকায় খরা সহিষ্ণু ফসল বা ফসলের জাত চাষ করা । সাধারণত খরা সহিষ্ণু ফসলের মূল খুব দৃঢ় ও শাখা-প্রশাখাযুক্ত এবং গভীরমূলী হয়। 

এ সব ফসলের পাতা ছােট, সরু, পুরু বা পেঁচানাে হয়ে থাকে। খেজুর, কুল, অড়হর, তরমুজ, অনেক জাতের গম ইত্যাদি খরা সহিষ্ণু ফসল। এখন আমরা প্রধান প্রধান কয়েকটি খরা সহিষ্ণু ফসলের জাত সম্পর্কে আলােচনা করবাে।

খরা সহিষ্ণু ধানের জাত 

ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রিধান ৫৭ দুইটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত। এর মধ্যে ব্রি ধান ৫৭ এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলাে : 

ব্রি ধান ৫৭ : 

এ জাতটিও রােপা আমন । গাছের উচ্চতা ১১০-১১৫ সেমি জীবনকাল ১০০-১০৫ দিন। প্রজনন পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৮-১৪ দিন বৃষ্টি না হলেও ফলনের তেমন কোনাে ক্ষতি হয় না। খরা কবলিত অবস্থায় জাতটি হেক্টরপ্রতি ৩.০-৩.৫ টন এবং খরা না হলে ৪.০-৪.৫ টন ফলন দিতে সক্ষম। ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রি ধান ৫৭ এর জীবনকাল কম বলে এরা খরা সহ্যের পাশাপাশি খরা এড়াতেও পারে। 

খরা সহিষ্ণু গমের জাত 

বারি গম ২০ (গৌরব) ও বারি গম ২৪ (প্রদীপ) দুইটি খরা সহিষ্ণু গমের জাত। এর মধ্যে বারি গম ২৪ এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলাে : 

বারি গম ২৪ (প্রদীপ) : 

এ জাতটি মধ্যম খাটো, উচ্চ ফলনশীল এবং খরা সহিষ্ণু। এ জাতের পাতা চওড়া, বাঁকানাে ও হালকা সবুজ রঙের। জাতটির জীবনকাল ১০২-১১০ দিন এবং ফলন ৪.৩-৫.১ টন/হেক্টর। 

ঈশ্বরদী ৩৫:

এ জাতটির ফলন ৯৪ টন/হেক্টর। আখের অন্যান্য খরা সহিষ্ণু জাতের মধ্যে রয়েছে ঈশ্বরদী৩৩, ঈশ্বরদী ৩৭, ঈশ্বরদী ৩৯ ও ঈশ্বরদী ৪০ ইত্যাদি। 

খরা সহিষ্ণু অন্যান্য ফসলের জাত : 

বারি ছােলা-৫ (পাবনা) : 

হালকা সবুজ রঙের এ জাতের গাছের উচ্চতা ৫০ সেমি বীজ ছােট, মসৃণ ও ধূসর বাদামি রঙের, জীবনকাল ১২৮-১৩০ দিনের এবং ফলন ২.৪ টন/হেক্টর হয়ে থাকে । খরাপ্রবণ বরেন্দ্র এলাকায় অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এ জাতের ছােলা বপন করতে হয়। খরা সহিষ্ণু অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে বারি বার্লি-৬, বারি বেগুন-৮, বারি হাইব্রিড টমেটো-৩ ও বারি হাইব্রিড টমেটো-৪, সবজি,মেস্তা ইত্যাদি। 

লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসল 

লবণাক্ত মাটি থেকে ফসলের পানি সংগ্রহ করতে অসুবিধা হয়। লবণাক্ততার মাত্রা বেশি হলে ফসল জন্মাতে পারে না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ততার মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ জন্য উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত সহিষ্ণু ফসল বা ফসলের জাতের আবাদ এলাকা ৯ বাড়াতে হবে ।

লবণাক্ততা সহিষ্ণু অন্যান্য ফসলের জাত 

বারি আলু ২২ (সৈকত) : 

এ জাতের আলুর আকার লম্বাটে গােল এবং লাল রঙের। জাতটির ফলন ২৫-৩০ টন/হেক্টর।

বারি মিষ্টি আলু-৬ ও ৭ : 

এ জাত দুটোর আলুর খােসার রং গাঢ় কমলা রঙের, ভিতরটা হালকা কমলা রঙের। আলুতে মধ্যম মাত্রায় ক্যারােটিন এবং শুষ্ক পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে। ফসল সংগ্রহ করতে ১২০-১৩৫ দিন সময় লাগে। জাত দুটি সাধারণ পরিবেশে হেক্টরপ্রতি ৪০-৪৫ টন এবং লবণাক্ত পরিবেশে ১৮-২০ টন ফলন দিতে পারে।

বারি সরিষা-১০: 

এ জাতের সরিষার গাছ খাটো, উচ্চতা ৮০-১০০ সেমি জীবনকাল ৮৫-৯০ দিন এবং ফলন ১.২-১.৪ টন/হেক্টর। জাতটি লবণাক্ততার পাশাপাশি খরাও সহ্য করতে পারে। 

লবণাক্ততা সহিষ্ণু আখের জাত 

ঈশ্বরদী ৩৯ ও ঈশ্বরদী ৪০ এর মধ্যে ঈশ্বরদী ৪০ এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলাে :

ঈশ্বরদী ৪০ :

ঈশ্বরদী ৩৯ জাতের মতাে এ জাতটিতেও উচ্চমাত্রায় চিনি পাওয়া যায়। উচ্চ ফলনশীল এ জাতটি দ্রুত বর্ধনশীল ও আগাম পরিপক্বতা গুণসম্পন্ন এবং অঞ্চল ভেদে ফলন ৮৫-৯৫ টন/হেক্টর। এ জাতটিও লবণাক্ততার পাশাপাশি বন্যা ও খরা সহ্য করতে পারে।

বন্যা বা জলাবদ্ধতা সহিষ্ণু ফসল

বাংলাদেশে প্রতিবছর কম-বেশি বন্যা হয়ে থাকে। বন্যাজনিত সাময়িক জলাবদ্ধতা ছাড়াও দেশের কিছু অঞ্চলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, যেমন-খুলনা ও যশাের জেলার ভবদহ এলাকা। বন্যার কারণে বা অন্য কোনাে কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা, জলজ উদ্ভিদ ছাড়া বেশিরভাগ উদ্ভিদ সহ্য করতে পারে না। দেশের বিস্তৃত বন্যাপ্রবণ এলাকার প্রধান ফসল ধান। 

বন্যা সহিষ্ণু স্থানীয় জাতের গভীর পানির আমন ধানের মধ্যে রয়েছে- বাজাইল ও ফুলকুড়ি। বন্যার পানির উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে এ সব জাতের ধান গাছের উচ্চতাও বাড়তে থাকে। এমনকি দিনে ২৫ সেমি পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং ৪ মিটার গভীরতায়ও বেঁচে থাকতে পারে। 

উঁচু জাতের আমন ধানের মধ্যে আছে ব্রি ধান ৪৪। এ জাতের ধান জোয়ার-ভাটা অঞ্চলে ১ ৫০ সেমি উচ্চতার প্লাবন সহ্য করতে পারে।

ফসল উৎপাদনে জলাবদ্ধতা বা বন্যার প্রভাব 

প্রতি বছর দেশের প্রায় ২৫% জমি বন্যার কারণে বিভিন্ন মাত্রায় প্লাবিত হয়। মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ে এ দেশে বন্যা হয়ে থাকে। দেশের মােট উৎপাদিত দানা শস্যের ৬০ ভাগের বেশি এ সময় উৎপাদন হয়। 

ঘন ঘন বন্যার কারণে কৃষকেরা স্থানীয় জাতের আমন ধান চাষে বাধ্য হয়ে পড়ে, কারণ এসব জাত গভীর পানিতে জন্মাতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যার তীব্রতা, স্থায়িত্ব ও ঘনত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। ঝড়-জলােচ্ছ্বাসজনিত বন্যা উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি করে। জমিতে লবণাক্ত পানির জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে। 

ফলে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার কারণে ফসল চাষের অনুপযােগী পরিবেশ সৃষ্টি করে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সুনামগঞ্জ, সিলেট, নেত্রকোণা, নীলফামারী ইত্যাদি জেলা ঢল বন্যার শিকার হয়। প্রায় প্রতিবছর এ সব অঞ্চলের হাজার হাজার একর জমির পাকা বোেরা ধান কর্তনের আগেই ঢল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় । 

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় চার হাজার বর্গকিলােমিটার ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এক হাজার চারশত বর্গকিলােমিটার এলাকা এ ধরনের ঢল বন্যা প্রবণ। বন্যার পানি নিয়ন্ত্রণ ও সমুদ্রের লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আরও বেশি বাঁধ, সুইস গেট নির্মাণের প্রয়ােজন দেখা দিবে। এগুলাে নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশগত দিক ভালােভাবে যাচাই করে নিতে হবে । কোনাে রকম ভুল হলে দীর্ঘদিন তার মাশুল দিতে হবে। 

যশাের ও খুলনা জেলার ভবদহ এলাকা জলাবদ্ধতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। খাপ খাওয়ানাের কৌশল হিসাবে ঢল বন্যাপ্রবণ এলাকায় প্রচলিত ফসলের জাতের চেয়ে আগাম পাকে এমন জাতের ফসল চাষ করতে হবে। 

ব্রি ধান ২৮, ব্রি ধান ৪৫ চাষ করলে ব্রি ধান ২৯ এর থেকে আগে পাকে। দেশের মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরবর্তী সময়ে নাবী জাতের ধান, যেমন- নাইজারশাইল, বিআর ২২, বিআর ২৩ এবং ব্রি ধান ৪৬ চাষ করতে হবে। বন্যার কারণে বীজতলা তৈরির জমি না পেলে দাপােগ পদ্ধতির বীজতলা তৈরি করতে হবে। বন্যা পরবর্তী সময় দ্রুত শাকসবজি ও অন্যান্য ফসল চাষের জন্য কৃষকদের কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন

  1. কৃষি উপকরণ:ফসল বীজ ও বংশ বিস্তারক উপকরণ 
  2. কলা চাষ যেভাবে করবেন
  3. ঔষধি উদ্ভিদ ও এর ব্যবহার 
  4. আদর্শ পুকুরের বৈশিষ্ট্য গুণাগুণ ও প্রয়োজনীতা
  5. ধানের সমস্যা ও সমাধান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *