নবম শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট | ষষ্ঠ সপ্তাহ | ict assignment answer class 9

নবম শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট | ষষ্ঠ সপ্তাহ | ict assignment answer class 9

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট নবম শ্রেণি | ষষ্ঠ সপ্তাহ | ict assignment answer class 9 : সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, টিপস সেন্টারে সবাইকে স্বাগতম, আশা করছি সবাই ভালো আছো। তোমরা কি নবম শ্রেণির ৬ষ্ঠ সপ্তাহের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট এর সম্পর্কে ধারণা নিতে চাচ্ছো? কিংবা এসাইনমেন্টটি কিভাবে প্রস্তুত করতে হয় সে সম্পর্কে জানতে আগ্রহী? তাহলে বলবো তোমরা ঠিক ওয়েবসাইটে এসেছো। তোমাদের জন্য আজকের অ্যাসাইনমেন্ট রয়েছে- কোভিড১৯ উদ্ভুত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলমানে ই-লার্নিংয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রতিবেদন। এছাড়াও তোমরা আমাদের সাইটে ৯ম শ্রেনির সকল এ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন ও উত্তর পাবে। পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে আপনার বন্ধু বা প্রিয়জনকে দেখার সুযোগ করে দিন।

নবম শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট | ষষ্ঠ সপ্তাহ |ict assignment answer class 9

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের ক্রমঃ এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ-১, অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরােনামঃ প্রথম অধ্যায়: তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি এবং আমাদের বাংলাদেশ, পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠ নম্বর ও বিষয়বস্তুঃ একুশ শতক এবং তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিকাশে উল্লেখযােগ্য ব্যক্তিত্ব, ই-লার্নিং ও বাংলাদেশ, ই-গভর্ন্যান্স ও বাংলাদেশ, ই-সার্ভিস ও বাংলাদেশ, ই-কমার্স ও বাংলাদেশ, বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে আইসিটি, সামাজিক যােগাযােগ ও আইসিটি, বিনােদন ও আইসিটি, ডিজিটাল বাংলাদেশ।

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজঃ

বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা’বিষয়ক ২৫০ শব্দের মধ্যে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।

নির্দেশনাঃ প্রতিবেদনটি তৈরির ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসাইনমেন্ট নবম শ্রেণি উত্তর এখান থেকে শুরু

০৭ জুন, ২০২১ খ্রিঃ প্রধান শিক্ষক লোহাকুচি উচ্চ বিদ্যালয় কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট। বিষয় : প্রতিবেদন জমাদান প্রসঙ্গে। সূত্র : গ.উ.বি/১২৮/২০২১ তারিখ : ০৩ জুন, ২০২১ খ্রিঃ মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, গত ০৩ জুন, ২০২১ খ্রিঃ  এর স্মারক নং গ.উ.বি/১২৮/২০২১  মোতাবেক আপনার নিকট থেকে আদিষ্ট হয়ে বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভুত পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা নিয়ে আমার প্রতিবেদন বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে প্রস্তুত করেছি। অতএব, আপনার সদয় বিবেচনার জন্য “বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভুত পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা” সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি নিম্নে উপস্থাপন করলাম। প্রতিবেদক মো:সোলায়মান খাঁন লোহাকুচি উচ্চ বিদ্যালয় নবম শ্রেণি, বিজ্ঞান শাখা, রোলঃ ০২ বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভুত পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা বর্তমান আধুনিক বিশ্বায়নের যুগে তথ্যপ্রযুক্তি ভূমিকা অনস্বীকার্য। যোগাযোগের আধুনিকায়ন এবং ইন্টারনেটের বদৌলতে শুরু হয়েছে ই- লার্নিং। ই-লার্নিং মূলত অনালাইন ভিত্তিক শিক্ষা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের ফলে ই-লার্নিং এর ধারণার উদ্ভব হয়েছে। ই-লার্নিং হল ইলেকট্রনিক লার্নিং অর্থাৎ ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিংবা ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক, টেলিভিশন সিডিরম, রেডিও, ভিডিও ইত্যাদির মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান করাই হল ই- লার্নিং। ই-লার্নিং হলো একটি আধুনিক পদ্ধতিতে পাঠদানের প্রক্রিয়া। করোনাকালে স্বাভাবিক শ্রেণী কার্যক্রম চালু না রাখার যৌক্তিকতা রয়েছে। কারন উন্নত দেশগুলো যেখানে করোনার থাবায় কোণঠাসা সেখানে আমাদের জনবহুল দেশ অনেকটাই বিপদের মুখে। যদি  শ্রেণী কার্যক্রম চালু রাখা হতো তাহলে দেশের বর্তমান করোনা পরিস্থির চিত্র আরও ভয়াবহ হত। আজকের শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। আজকের শিক্ষার্থীরাই সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিবে আমারা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে কতোটা উন্নত। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে শ্রেণী কার্যক্রম চালু না রাখার সিদ্ধান্ত খুবই যৌক্তিকসম্পন্ন এবং যুগোপযুগী। তাছাড়া ই-লার্নিং এর মাধ্যমে ঘরে বসেই পাঠদানের সুযোগ যেখানে রয়েছে সেখানে শ্রেণী কার্যক্রম চালু রাখা মানে হল তথ্য ও প্রযুক্তিকে নিরাশ করা। তাছাড়া সবার আগে জীবন। জীবিত থাকলে শিক্ষা হবে, প্রতিষ্ঠিতও হওয়া যাবে। আমার বিদ্যালয়ও অনলাইন কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস সম্পাদিত হচ্ছে। ফলে, অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ন্যায় আমরাও ই-লার্নিং এর সাথে যুক্ত হচ্ছি। বর্তমান প্রযুক্তির বদৌলতে প্রতিটি ক্ষেত্রেই তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মূল কারণ হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা। নিচে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আলোকে ই- লার্নিং এর সুবিধাসমূহ তুলে ধরা হল: ১. ই-লার্নিং এর মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদ্যমান বৈষম্য কমিয়ে আনা সম্ভব। ২. ই-লার্নিং এর মাধ্যমে নতুন নতুন স্কুল তৈরি না করে অনেক ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষাদান করা সম্ভব। ৩. ই-লার্নিং এর মাধ্যমে প্রতিটা ছাত্র-ছাত্রী তাদের নিজেদের সুবিধা মতো পড়াশুনা করতে পারবে। যে বিষয়ে দূর্বল সে বিষয়ে শিক্ষকের কাছে থেকে অনলাইনে টিউশন নিতে পারবে এবং সেটাও অনেক কম খরচে। ৪. ই-লার্নিং এর মাধ্যমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সম্পর্কে সহজেই ধারণা পাওয়া যায়। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা সহায়তায় ই-লার্নিং এর প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হলেও করোনা পরবর্তী সময়ে ই-লার্নিং আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরকে ই-লার্নিং এর মাধ্যমে পাঠদান করাচ্ছে। উন্নত দেশগুলোতে ই- লার্নিং এর বান্তবায়ন বেশি লক্ষ্য করা গেলেও সে অনুপাতে আমারদের দেশে ততোটা ই- লার্নিং এর বান্তবায়ন হয় নি। যদিও সরকারি ও বেসরকারি উভয় দিক থেকে এটা নিয়ে কাজ চলছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ই- লার্নিং বান্তবায়ন অনেকটা কঠিন এবং চ্যালেঞ্জও বটে। প্রতিবেদকের নাম : মো:সোলায়মান খাঁন প্রতিবেদনের ধরন : প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদনের শিরোনাম : বর্তমানে কোভিড-১৯ উদ্ভুত পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখায় ই-লার্নিং এর ভূমিকা। প্রতিবেদন তৈরির স্থান : কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট। তারিখ : ০৭.০৬.২০২১ খ্রিঃ

আরও পড়ুন: ২০২২ সালের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ২য় সপ্তাহ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published.